বখাটেপনার
মাত্রা দিন দিন ছাড়িয়ে যাচ্ছে। উচ্ছৃক্সখল যুবকদের ঠেকানোই যাচ্ছে না।
এবারের ঘটনাস্থল ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা। বখাটেরা কয়েক দিন আগে এক
কলেজছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেই থেমে থাকেনি, তার গোসলের দৃশ্য গোপনে মোবাইল
ফোনসেটে ধারণ করে তা ছড়িয়ে দিয়েছে। বখাটেদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়
তারা ওই ঘটনা ঘটায়। উপজেলার অনেকের মোবাইল ফোনসেটে এখন ওই দৃশ্য।
ভুক্তভোগী অসহায় ওই ছাত্রী এখন একেবারে ভেঙে পড়েছেন। বারবার তিনি তার
মাকে বলছেন, আমাকে বিষ এনে দাও। আমি আত্মহত্যা করব।
ছাত্রীটির বাবা শুক্রবার সকালে ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বাবর আলী মীরকে বিষয়টি জানান। ইউএনও সঙ্গে সঙ্গে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামকে জানান। ওসি বিষয়টি জানামাত্র অভিযান চালিয়ে শুক্রবার দুপুরেই ঘটনার মূল হোতা বখাটে পলাশ (১৮) ও রাজীবকে (১৮) গ্রেফতার করেন। গতকাল তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়। ছাত্রীর বাবা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি তো বাপ, আমার আর বেঁচে থেকে কী হবে। আমার সবই শেষ। আমি অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। শুক্রবার বিকালেই তিনি বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা করেছেন। ঘটনা শুনে ওইদিন সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ ও সংসদ সদস্য নিলুফার জাফর উল্লাহ ওই ছাত্রীর বাড়ি যান। এ সময় মা-মেয়ের কান্নায় পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। কাজী জাফর উল্লাহ ও নিলুফার জাফর উল্লাহ মেয়েটিকে তাদের সন্তান উল্লেখ করে বলেন, 'মা তোমার কোনো দোষ নেই। তুমি পড়াশোনা চালিয়ে যাও। তোমার কিছুই হবে না। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।' জানা গেছে, পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছিলেন মেয়েটি। ২০১০ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পান তিনি। তার অভিভাবকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কলেজে যাওয়া-আসার পথে একই এলাকার জাকির মওলানার ছেলে পলাশ (১৮), ঢাকার বংশাল থানায় কর্মরত পুলিশের সহ-উপপরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের ছেলে রাজীব (১৮), ঈমান মাতুব্বরের ছেলে লিয়াকত ওরফে সাদ্দাম (২৩) তাকে উত্ত্যক্ত করত ও খারাপ প্রস্তাব দিত। এতে রাজি না হওয়ায় কোনো এক সময় বাথরুমের ফাঁকা জায়গা দিয়ে মেয়েটির গোসলের দৃশ্য মোবাইল ফোনসেটে ধারণ করে তারা। ভাঙ্গা থানার ওসি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ওইদিন সকালে ইএনও স্যার আমাকে বলেন, তাড়াতাড়ি আসেন। কয়েকটি বখাটেকে গ্রেফতার করতে হবে। এরপরই আমি অভিযান চালিয়ে দুই বখাটেকে গ্রেফতার করি। আরও একজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ভাঙ্গা কে এম কলেজের অধ্যক্ষ মোসায়েদ হোসেন ঢালী বলেন, বিষয়টি জেনেছি। আমার ওই ছাত্রী খুবই মেধাবী। আমি দোষীদের শাস্তি চাই। ছাত্রী ও তার পরিবারের যে কোনো ধরনের সহযোগিতা আমরা কলেজের পক্ষ থেকে করব।
ছাত্রীটির বাবা শুক্রবার সকালে ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বাবর আলী মীরকে বিষয়টি জানান। ইউএনও সঙ্গে সঙ্গে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামকে জানান। ওসি বিষয়টি জানামাত্র অভিযান চালিয়ে শুক্রবার দুপুরেই ঘটনার মূল হোতা বখাটে পলাশ (১৮) ও রাজীবকে (১৮) গ্রেফতার করেন। গতকাল তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়। ছাত্রীর বাবা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি তো বাপ, আমার আর বেঁচে থেকে কী হবে। আমার সবই শেষ। আমি অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। শুক্রবার বিকালেই তিনি বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা করেছেন। ঘটনা শুনে ওইদিন সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ ও সংসদ সদস্য নিলুফার জাফর উল্লাহ ওই ছাত্রীর বাড়ি যান। এ সময় মা-মেয়ের কান্নায় পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। কাজী জাফর উল্লাহ ও নিলুফার জাফর উল্লাহ মেয়েটিকে তাদের সন্তান উল্লেখ করে বলেন, 'মা তোমার কোনো দোষ নেই। তুমি পড়াশোনা চালিয়ে যাও। তোমার কিছুই হবে না। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।' জানা গেছে, পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছিলেন মেয়েটি। ২০১০ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পান তিনি। তার অভিভাবকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কলেজে যাওয়া-আসার পথে একই এলাকার জাকির মওলানার ছেলে পলাশ (১৮), ঢাকার বংশাল থানায় কর্মরত পুলিশের সহ-উপপরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের ছেলে রাজীব (১৮), ঈমান মাতুব্বরের ছেলে লিয়াকত ওরফে সাদ্দাম (২৩) তাকে উত্ত্যক্ত করত ও খারাপ প্রস্তাব দিত। এতে রাজি না হওয়ায় কোনো এক সময় বাথরুমের ফাঁকা জায়গা দিয়ে মেয়েটির গোসলের দৃশ্য মোবাইল ফোনসেটে ধারণ করে তারা। ভাঙ্গা থানার ওসি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ওইদিন সকালে ইএনও স্যার আমাকে বলেন, তাড়াতাড়ি আসেন। কয়েকটি বখাটেকে গ্রেফতার করতে হবে। এরপরই আমি অভিযান চালিয়ে দুই বখাটেকে গ্রেফতার করি। আরও একজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ভাঙ্গা কে এম কলেজের অধ্যক্ষ মোসায়েদ হোসেন ঢালী বলেন, বিষয়টি জেনেছি। আমার ওই ছাত্রী খুবই মেধাবী। আমি দোষীদের শাস্তি চাই। ছাত্রী ও তার পরিবারের যে কোনো ধরনের সহযোগিতা আমরা কলেজের পক্ষ থেকে করব।
No comments:
Post a Comment